বারুইপুর পৌরসভা
Baruipur Municipality
১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রাচীনতম ক্যাটেগরি-ডি পৌরসভা (কেএমডিএভুক্ত)
প্রধান বৈশিষ্ট্য ও এক নজরে তথ্য (Key Highlights)
স্থানের সংক্ষিপ্ত পরিচয় ও গুরুত্ব
বারুইপুর পৌরসভা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুর শহরের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত নগর প্রশাসন। ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই পৌরসভা সমগ্র জেলার অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহাসিক পৌর প্রতিষ্ঠান। ১৭টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই পৌরসভা শহরের প্রধান সড়ক পরিকাঠামো, পরিস্রুত পানীয় জল সরবরাহ, কঠিন ও তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পথবাতি, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স এবং সম্পত্তি করের মতো যাবতীয় অপরিহার্য নাগরিক পরিষেবা প্রদান করে। ভৌগোলিকভাবে বারুইপুর কলকাতা মহানগর অঞ্চলের (KMA/KMDA) সর্বদক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত।
পৌরসভার প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য অনুযায়ী, ঐতিহাসিক আদি গঙ্গা বা টালির নালার তীরে, ডায়মন্ড হারবার ও লক্ষ্মীকান্তপুরের সংযোগস্থলে, কলকাতা ও সুন্দরবনের মধ্যবর্তী কৌশলগত স্থানে বারুইপুর শহর গড়ে উঠেছে। জনশ্রুতি অনুসারে 'বারুই' অর্থাৎ ঐতিহ্যবাহী পান চাষিদের বসতি থেকে এই নামের উৎপত্তি। শহরের উত্তরে সোনারপুর, দক্ষিণে জয়নগর, পূর্বে ক্যানিং এবং পশ্চিমে বিষ্ণুপুর থানা এলাকা অবস্থিত। শহরটিকে কলকাতার সাথে যুক্ত করেছে ঐতিহাসিক গড়িয়া–বারুইপুর (কুলপী) রোড, যা বর্তমানে ই এম বাইপাস ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু রোডের মাধ্যমে দ্রুত যোগাযোগ সুগম করেছে। এছাড়া মাদারাত রোড, ধপধপি রোড, ক্যানিং রোড এবং আমতলা রোড শহরের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ অক্ষ হিসেবে কাজ করে।
বারুইপুর পৌরসভার প্রশাসনিক কাঠামো
বারুইপুর পৌরসভা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের নগরোন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক দপ্তরের অধীনে একটি ক্যাটেগরি-ডি (Category-D) পৌরসভা। পৌর এলাকাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুর মহকুমা এবং বারুইপুর পুলিশ জেলার আওতাধীন। শহরের ১৭টি প্রশাসনিক ওয়ার্ড থেকে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত কাউন্সিলরদের নিয়ে পৌর পরিষদ গঠিত হয়। পরিষদের নেতৃত্বে থাকেন পৌরপ্রধান (চেয়ারম্যান) এবং উপ-পৌরপ্রধান (ভাইস চেয়ারম্যান)। এছাড়া প্রশাসনিক দৈনন্দিন কাজের তদারকিতে থাকেন এক্সিকিউটিভ অফিসার, ফিন্যান্স অফিসার এবং বিভিন্ন বিভাগীয় আধিকারিকরা।
পৌরসভার প্রধান নাগরিক পরিষেবা ও কার্যাবলী
বারুইপুর পৌরসভার নিজস্ব প্রশাসনিক দপ্তরের বিভিন্ন শাখার মাধ্যমে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত পরিষেবা প্রদান করা হয়:
- কর ও রাজস্ব বিভাগ (Property Tax & Assessment):
- পৌর এলাকার আবাসিক ও বাণিজ্যিক সম্পত্তির বাৎসরিক মূল্যায়ন ও অ্যাসেসমেন্ট।
- নিয়মিত সম্পত্তি কর (Holding Tax) গ্রহণ এবং পৌরসভার অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ঘরে বসেই কর প্রদানের সুবিধা।
- সম্পত্তি মিউটেশন ও রেকর্ড সংশোধন (Online Mutation):
- ক্রয়-বিক্রয় বা ওয়ারিশান সূত্রে সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে পৌর রেকর্ডে নাম পত্তন বা মিউটেশন।
- মিউটেশনের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্রের বিস্তারিত চেকলিস্ট পৌরসভার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যায়।
- ট্রেড লাইসেন্স বিভাগ (Trade License):
- নতুন ব্যবসা, দোকান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবসায়িক অনুমতিপত্র (ট্রেড লাইসেন্স) প্রদান।
- বাৎসরিক ট্রেড লাইসেন্স রিনিউয়াল ও ক্যাটেগরি ভিত্তিক ফি আদায়।
- জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন (Birth & Death Registration):
- জনস্বাস্থ্য বিভাগের অধীনে ডিজিটাল জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র প্রস্তুত ও প্রদান।
- সরকারি স্বাস্থ্য ভবন ও পৌর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সমন্বয়ে সময়োপযোগী শংসাপত্র বিলি।
- পরিস্রুত পানীয় জল ও নিকাশি ব্যবস্থা:
- শহরের ১৭টি ওয়ার্ডেই গভীর নলকূপ ও ওভারহেড রিজার্ভারের মাধ্যমে পাইপলাইনে পরিস্রুত পানীয় জল সরবরাহ।
- ড্রেনেজ ও কনজারভেন্সি শাখার মাধ্যমে নিয়মিত কঠিন বর্জ্য সংগ্রহ এবং নর্দমা সাফাই অভিযান।
- পূর্ত ও নগর পরিকাঠামো উন্নয়ন:
- ওয়ার্ডের অভ্যন্তরে কংক্রিট রাস্তা, পেভার ব্লক রাস্তা ও ফুটপাত সংস্কার।
- সর্বত্র আধুনিক এলইডি স্ট্রিট লাইট স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ।
- সামাজিক সুরক্ষা ও দারিদ্র্য দূরীকরণ:
- জাতীয় নগর জীবিকা মিশন (NULM), স্বনির্ভর দল (SHG) গঠন, এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিভিন্ন সামাজিক ভাতা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- 'গ্রিন সিটি মিশন' ও আরণ্যক পিকনিক স্পটের মতো পরিবেশবান্ধব নগর সৌন্দর্য্যায়ন উদ্যোগ।
বারুইপুরের দর্শনীয় ও ঐতিহ্যবাহী স্থান
বারুইপুর পৌরসভা ও উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী শহরের উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থানসমূহ:
- [বারুইপুর রাজবাড়ি ও মহাপ্রভুতলা](/places/baruipur-mahaprabhu-tala-sadabrata-ghat/): রায়চৌধুরী জমিদার বংশের শতাব্দীপ্রাচীন রাজপ্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ এবং শ্রীচৈতন্যের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক মহাপ্রভুতলা।
- [মা শিবানীপীঠ (শিবানী মন্দির)](/places/shibanipith-temple-baruipur/): বারুইপুরের অত্যন্ত জাগ্রত ও পবিত্র শক্তিপীঠ, যেখানে প্রতিদিন বহু ভক্ত সমবেত হন।
- সদাব্রত ঘাট: প্রাচীন আদি গঙ্গা খাল ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত ঐতিহাসিক স্নানের ঘাট।
- দোলমঞ্চ: পৌরসভার তথ্য অনুযায়ী প্রায় ২০০ বছরের প্রাচীন এই দোলমঞ্চে ঐতিহাসিকভাবে বর্ণাঢ্য দোল উৎসব ও বারুণী মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
- বারুইপুর রবীন্দ্র ভবন: শহরের প্রধান সাংস্কৃতিক চর্চাকেন্দ্র ও নাট্যমঞ্চ।
- চৈতন্য মন্দির ও মহালক্ষ্মী মন্দির: পুরাতন বাজারের কাছে শ্রী চৈতন্য মন্দির এবং কাচারি বাজারের নিকটবর্তী মহালক্ষ্মী মন্দির।
- আঞ্চলিক সংগ্রহশালা: রামনগরের কালীদাস দত্ত স্মৃতি সংগ্রহশালা এবং সুন্দরবন আঞ্চলিক সংগ্রহশালা, যেখানে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বহু দুষ্প্রাপ্য প্রত্নসামগ্রী সংরক্ষিত রয়েছে।
- ধর্মীয় তীর্থস্থান: ধপধপির ঐতিহ্যবাহী দক্ষিণ রায়ের মন্দির এবং কল্যাণপুরের প্রাচীন কল্যাণ মহাদেব মন্দির।
লোকজ মেলা, উৎসব ও কুটির শিল্প
বারুইপুর সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক মেলবন্ধন:
- বার্ষিক মেলা: কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাসে অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী বারুইপুর রাসমেলা, চৈত্র সংক্রান্তিতে চড়ক মেলা, আষাঢ়-শ্রাবণে ঐতিহাসিক রথমেলা এবং দোলমঞ্চে বারুণী মেলা ও মহাপ্রভুর নামসংকীর্তন উৎসব।
- কুটির শিল্প ও বাণিজ্য: হস্তশিল্পে এখানকার টেরাকোটা কাজ অত্যন্ত প্রশংসিত। এছাড়া সারা ভারতে ও আন্তর্জাতিক বাজারে সুপরিচিত বারুইপুরের সূক্ষ্ম সার্জিক্যাল যন্ত্রাংশ তৈরির শিল্প এবং বহু গ্রামীণ মহিলার স্বনির্ভরতার প্রতীক ধূপকাঠি তৈরির কুটির শিল্প।
আলোকচিত্র ও দৃশ্যপট (Photo Gallery)
মোট 1 টি ছবি
বারুইপুর পৌরসভা কার্যালয় ও প্রশাসনিক ভবন
Baruipur Municipality Office and Administrative Building
ভিডিও ট্যুর ও তথ্যচিত্র (Video Tour)
ভিডিও দেখুনবারুইপুর পৌরসভার নাগরিক পরিষেবা ও উন্নয়ন পরিক্রমাইউটিউবে খুলুন
গুগল ম্যাপে অবস্থান ও ডিরেকশন (Google Maps & GMB)
লাইভ জিপিএসনিচের ইন্টার্যাক্টিভ গুগল ম্যাপের মাধ্যমে সঠিক অবস্থান দেখে নিন অথবা সরাসরি দিকনির্দেশনা ও রিভিউ দেখতে বাটনগুলিতে ক্লিক করুন।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও বিকাশ
প্রাচীন জনবসতি ও প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য: বারুইপুরের উপকণ্ঠে অবস্থিত আটঘরা ও সীতাকুণ্ডু এলাকায় ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ ও গবেষকদের প্রত্নতাত্ত্বিক খননে প্রাক-ঐতিহাসিক ও প্রাচীন জনবসতির স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে। পৌরসভার নথিবদ্ধ ইতিহাস অনুযায়ী, আটঘরার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন মৌর্য যুগ থেকে দশম–দ্বাদশ শতক পর্যন্ত সুদীর্ঘ সময়কাল জুড়ে বিস্তৃত। এখানকার খননকার্য থেকে জৈন তীর্থঙ্করের একটি দুর্লভ পোড়ামাটির মূর্তিও আবিষ্কৃত হয়েছিল, যা প্রাচীন গাঙ্গেয় বদ্বীপ অঞ্চলের সমৃদ্ধ সভ্যতার সাক্ষ্য বহন করে।
মহকুমা গঠন ও ঔপনিবেশিক সময়: ১৮৫৮ সালে ব্রিটিশ ভারতে বারুইপুর মহকুমা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। উনিশ শতকে অঞ্চলটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র এবং ব্যাপক নীল চাষের একটি অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
১৮৬৯ সালে পৌরসভা প্রতিষ্ঠা ও ঐতিহাসিক হিন্দু মেলা: ১৮৬৯ সালে বারুইপুর পৌরসভা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই প্রতিষ্ঠাবর্ষেই স্থানীয় শিক্ষানুরাগী জমিদার রাজেন্দ্র কুমার রায়চৌধুরীর সভাপতিত্বে বারুইপুরে একটি ঐতিহাসিক ও সুবৃহৎ হিন্দু মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা তৎকালীন জাতীয়তাবাদী জাগরণ ও স্বদেশী ভাবনায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল।
সাহিত্যিক সংযোগ ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপ্রতিম উপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৬৪ থেকে ১৮৬৯ সাল পর্যন্ত বারুইপুরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এখানেই সরকারি বাংলোয় অবস্থানকালীন তিনি তাঁর জীবনের প্রথম কালজয়ী বাংলা উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫) এবং পরবর্তীতে 'কপালকুণ্ডলা' রচনা করেছিলেন। এছাড়া বাংলা সাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতিও এই শহরের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত।
কেএমডিএ অন্তর্ভুক্তি ও আধুনিকায়ন: স্বাধীনতা-উত্তর যুগে বারুইপুরের দ্রুত নগরায়ণ ও জনসংখ্যার বিন্যাসের কথা বিবেচনা করে ১৯৭০ সালে পৌরসভাকে কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (KMDA)-র আওতাভুক্ত করা হয়।
পৌরসভার ১৭টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ফোন নম্বর
নাগরিক সমস্যা, প্রত্যয়ন পত্র ও পরিষেবা সংক্রান্ত প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন
শ্রী স্বপন কুমার নস্কর
Sri Swapan Kumar Naskar
শ্রী হৃষিকেশ নস্কর
Sri Hrishikesh Naskar
শ্রী স্বপন কুমার মণ্ডল
Sri Swapan Kumar Mondal
শ্রীমতী অপরাজিতা দাস
Smt. Aparajita Das
শ্রীমতী মিলু গুহঠাকুরতা
Smt. Milu Guhathakurata
শ্রী বিকাশ কুমার দত্ত
Sri Bikash Kumar Dutta
শ্রীমতী নমিতা সরদার নস্কর
Smt. Namita Sardar Naskar
শ্রীমতী মিতা দত্ত
Smt. Mita Dutta
শ্রী সুভাষ রায়চৌধুরী
Sri Subhash Roychowdhury
শ্রী মোজাফফর আহমেদ
Sri Mozaffar Ahmed
শ্রীমতী অর্চনা ভদ্র
Smt. Archana Bhadra
শ্রী গৌতম কুমার দাস
Sri Goutam Kumar Das
শ্রী তাপস ভদ্র (বাপি)
Sri Tapas Bhadra (Bapi)
শ্রীমতী সঙ্গীতা কয়াল মণ্ডল
Smt. Sangita Kayal Mondal
শ্রীমতী অর্চনা মল্লিক
Smt. Archana Mallick
শ্রী আশিস দেব রায়
Sri Ashis Deb Roy
শ্রী শক্তি রায়চৌধুরী
Sri Shakti Roychowdhury
প্রধান নাগরিক সুবিধা ও সেবাসমূহ
যাতায়াত ও পৌঁছানোর নির্দেশিকা
বারুইপুর পৌরসভার প্রধান কার্যালয় কুলপী রোডে অবস্থিত। শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার প্রধান রেল জংশন বারুইপুর (শিয়ালদহ–নামখানা, ডায়মন্ড হারবার, ক্যানিং ও লক্ষ্মীকান্তপুর লাইন)। স্টেশন থেকে রিকশা, টোটো বা অটোযোগে মাত্র ৫-৭ মিনিটে কুলপী রোডের পৌরসভা কার্যালয়ে পৌঁছানো যায়। গড়িয়া ও ই এম বাইপাস থেকে বারুইপুরগামী বাস সরাসরি পৌরসভার সামনে দিয়ে চলাচল করে। গুগল ম্যাপে 'Baruipur Municipality' সার্চ করলে সরাসরি দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়।
প্রয়োজনীয় প্রশ্নোত্তর (FAQs)
প্র:বারুইপুর পৌরসভা কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উ:বারুইপুর পৌরসভা ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার প্রাচীনতম পৌরসভাগুলির অন্যতম।
প্র:বারুইপুর পৌরসভায় মোট কয়টি ওয়ার্ড আছে?
উ:বারুইপুর পৌরসভায় মোট ১৭টি ওয়ার্ড রয়েছে, যার প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে নির্বাচিত কাউন্সিলর নাগরিকদের পরিষেবা দেন।
প্র:বারুইপুর পৌরসভার অফিসের ঠিকানা ও অফিশিয়াল ফোন নম্বর কী?
উ:কার্যালয়ের ঠিকানা: কুলপী রোড, বারুইপুর, কলকাতা – ৭০০১৪৪। অফিশিয়াল যোগাযোগের ফোন নম্বর: ০৩৩-২৪৩৩-৮২০১ এবং ফ্যাক্স নম্বর: ০৩৩-২৪৩৩-০৯৮০। অফিশিয়াল ইমেইল: [email protected]।
প্র:পৌরসভার মিউটেশন বা ট্রেড লাইসেন্সের জন্য কোন কোন নথি প্রয়োজন?
উ:সম্পত্তির মিউটেশনের জন্য রেজিস্টার্ড দলিল, পরচা/খতিয়ান, পূর্ববর্তী করের রসিদ ও আবেদনপত্র প্রয়োজন। ট্রেড লাইসেন্সের জন্য ব্যবসার ধরন, ভাড়ার চুক্তি বা মালিকানার প্রমাণপত্র ও পরিচয়পত্র জমা দিতে হয়। পৌরসভার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে (baruipurmunicipality.org.in) এ বিষয়ে বিস্তারিত নথির চেকলিস্ট (পিডিএফ) ও অনলাইন আবেদনের সুবিধা রয়েছে।
প্র:২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বারুইপুর পৌরসভার জনসংখ্যা কত?
উ:২০১১ সালের সরকারি আদমশুমারি অনুসারে বারুইপুর পৌরসভা এলাকার জনসংখ্যা ৫৩,১২৮ জন (মোট ১৩,২২৬টি পরিবার)। এখানে সাক্ষরতার হার ৯২.০৪% এবং লিঙ্গানুপাত প্রতি ১০০০ পুরুষে ৯৮৮ জন নারী।