শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বারুইপুর অনলাইন - Baruipur Online
বারুইপুর পরিচিতি ও গাইডস্থাপিত: বারুইপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক (১৯টি গ্রাম পঞ্চায়েত)সম্পূর্ণ বিনামূল্যে (সরকারি নাগরিক পরিষেবা কেন্দ্র)

বারুইপুর বিডিও অফিস (সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের করণ)

Baruipur BDO Office & Block Administration

বারুইপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতির প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র — ফুলতলা, পিয়ালীনতুন

প্রধান বৈশিষ্ট্য ও এক নজরে তথ্য (Key Highlights)

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর ব্লকের ১৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রশাসনিক সচিবালয়
অফিসিয়াল গুগল ম্যাপস (GMB) লোকেশন: ফুলতলা, পিয়ালীনতুন চত্বরে অবস্থিত (পিন: ৭৪৩৩৮৭)
ঐতিহাসিক নামফলকে আনুষ্ঠানিকভাবে 'পিয়ালীনতুন, বারুইপুর, পিন - ৭৪৩৩৮৭' নথিভুক্ত
কেএমডিএ (KMDA) আওতাধীন ২,২৬.১৬ বর্গ কিলোমিটার উর্বর কৃষি ও ফল উৎপাদনকারী অঞ্চলের নিয়ন্ত্রক কেন্দ্র
এসডিও (SDO) অফিস চত্বর সুবুদ্ধিপুরে (৭০০১৪৪) হলেও বিডিও অফিস ফুলতলায় (৭৪৩৩৮৭) অবস্থিত
আইসিডিএস (ICDS) প্রকল্প, কৃষি দপ্তর, পঞ্চায়েত সমিতি ও গ্রামীণ আবাস যোজনার পূর্ণাঙ্গ সমন্বয়

স্থানের সংক্ষিপ্ত পরিচয় ও গুরুত্ব

বারুইপুর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের করণ (Office of the Block Development Officer - BDO) এবং বারুইপুর পঞ্চায়েত সমিতি হলো দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুর গ্রামীণ ব্লকের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক ও তৃণমূল পর্যায়ের উন্নয়ন কেন্দ্র। দক্ষিণ কলকাতার সীমানা থেকে প্রায় ২২-২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে বিস্তৃত এই ব্লকটি ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিকভাবে কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (KMDA)-এর আওতাধীন, যা একাধারে উপনগরীয় নগরায়ণ এবং গাঙ্গেয় বদ্বীপের উর্বর গ্রামীণ জনজীবনের অপূর্ব মেলবন্ধন।

প্রশাসনিক অবস্থানের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রায়শই একটি বিভ্রান্তি দেখা যায়—মহকুমা শাসক (SDO) ও বিচারবিভাগীয় আদালত চত্বরটি কুলপি রোড সংলগ্ন সুবুদ্ধিপুরে (পিন: ৭০০১৪৪) অবস্থিত হলেও, সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (BDO) এবং বারুইপুর পঞ্চায়েত সমিতির মূল প্রশাসনিক ভবনটি অবস্থিত পিয়ালী টাউনের ফুলতলায়, বিডিও রোড ও ফুলতলা পার্ক সংলগ্ন এলাকায় (ডাক পিন কোড: ৭৪৩৩৮৭)। ভবনের মূল সরকারি নামফলকেও আনুষ্ঠানিকভাবে 'পিয়ালীনতুন, বারুইপুর, পিন - ৭৪৩৩৮৭' নথিভুক্ত রয়েছে।

বারুইপুর ব্লকের ভৌগোলিক ব্যাপ্তি ২২৬.১৬ বর্গ কিলোমিটার। এই কার্যালয় থেকে গ্রামীণ অঞ্চলের ১৯টি গ্রাম পঞ্চায়েত, ৩০৭টি গ্রাম সংসদ, ১৩৮টি মৌজা এবং ১২টি সেন্সাস টাউনের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিচালিত হয়। পশ্চিমবঙ্গ ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থার দ্বিতীয় স্তর হিসেবে বিডিও হলেন বারুইপুর পঞ্চায়েত সমিতির পদাধিকারবলে মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক (Executive Officer)। এছাড়া এই ভবনে যুগ্ম বিডিও (Joint BDO), পঞ্চায়েত অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসার (PAAO), ব্লক কৃষি আধিকারিক (BAO), চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট অফিসার (CDPO - ICDS), অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ আধিকারিক (BCW), এবং খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের সমন্বয় শাখা সার্বক্ষণিকভাবে কার্যকর থাকে।

বারুইপুর পৌরসভা (যা কেবল শহর অঞ্চলের ১৭টি শহুরে ওয়ার্ডের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত) থেকে পৃথকভাবে এই বিডিও অফিস গ্রামীণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা ভাতা (বার্ধক্য, বিধবা ও মানবিক ভাতা), লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্বাস্থ্যসাথী, কৃষকবন্ধু, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড, মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা যোজনা (MGNREGA / ১০০ দিনের কাজ), এবং প্রধানমন্ত্রী/বাংলার আবাস যোজনা নিখুঁতভাবে পরিচালনা করে থাকে।

আলোকচিত্র ও দৃশ্যপট (Photo Gallery)

মোট 2 টি ছবি
বারুইপুর বিডিও অফিস ভবন ও চত্বর

বারুইপুর বিডিও অফিস ভবন ও চত্বর

Baruipur BDO Office Administrative Building

কার্যালয়ের মূল প্রবেশদ্বার ও নামফলক

কার্যালয়ের মূল প্রবেশদ্বার ও নামফলক

Office Entrance Signage

গুগল ম্যাপে অবস্থান ও ডিরেকশন (Google Maps & GMB)

লাইভ জিপিএস

নিচের ইন্টার‍্যাক্টিভ গুগল ম্যাপের মাধ্যমে সঠিক অবস্থান দেখে নিন অথবা সরাসরি দিকনির্দেশনা ও রিভিউ দেখতে বাটনগুলিতে ক্লিক করুন।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও বিকাশ

ঐতিহাসিকভাবে বারুইপুর অঞ্চলটি প্রাচীন ভাগীরথী-আদি গঙ্গার পলল অববাহিকায় গড়ে ওঠা এক সমৃদ্ধ কৃষি ও বাণিজ্য জনপদ। বাংলার সুলতানি ও মোঘল শাসনকালে এই অঞ্চল উর্বর কৃষিজমি ও নদীকেন্দ্রিক বিপণনের জন্য বিশেষ খ্যাত ছিল। ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধের পর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যখন ২৪ পরগনার জমিদারি রাজস্ব স্বত্ব লাভ করে, তখন থেকেই বারুইপুর দক্ষিণবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ রাজস্ব ও শাসনকেন্দ্র রূপে চিহ্নিত হয়। ১৭৯৩ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের পর এখানকার জমিদার ও স্থানীয় কৃষিজীবী সমাজের মেলবন্ধনে একাধিক ঐতিহাসিক পরিকাঠামো গড়ে ওঠে।

ভারতের স্বাধীনতা-উত্তর পর্বে গ্রামীণ উন্নয়নকে সুশৃঙ্খল ও গণমুখী করতে ১৯৫০-এর দশকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে 'কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট (CD) ব্লক' ও সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক পদের সৃষ্টি হয়। ১৯৭৩ সালের ঐতিহাসিক পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত আইন কার্যকর হওয়ার পর প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে বারুইপুর পঞ্চায়েত সমিতি ও বিডিও অফিসের এই যৌথ প্রশাসনিক কেন্দ্রটি পিয়ালী টাউন / ফুলতলায় প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মাধ্যমে ব্লকের ১৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতের সার্বিক বাজেট, রাস্তাঘাট, সেচ খাল, স্বাস্থ্য উপকেন্দ্র এবং কৃষি সহায়তা এক ছাতার তলায় পরিচালিত হতে শুরু করে।

বারুইপুর ব্লকের মাটি ও জলবায়ু গাঙ্গেয় বদ্বীপের পলিমাটিতে সমৃদ্ধ হওয়ায় বহু শতাব্দী ধরে এটি বিশ্বখ্যাত 'বারুইপুরের পেয়ারা' (Baruipur Guava), সুস্বাদু আম, লিচু, এবং বিখ্যাত পানের বরজের (Betel Vine) অন্যতম প্রধান উৎপাদন ক্ষেত্র। আদি গঙ্গা ও সূর্যপুর খালের অববাহিকা ধরে এ অঞ্চলের কৃষক ও মৎস্যজীবীরা রাজ্য ও জাতীয় স্তরে পণ্য সরবরাহ করে আসছেন। আধুনিক যুগে পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থার ডিজিটাইজেশন, ই-ডিস্ট্রিক্ট সেবা এবং 'দুয়ারে সরকার'-এর মতো যুগান্তকারী কর্মসূচি সফলভাবে কার্যকর করে বারুইপুর বিডিও অফিস জেলার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় আদর্শ ব্লক কার্যালয়ে রূপান্তরিত হয়েছে।

প্রধান নাগরিক সুবিধা ও সেবাসমূহ

সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা, মানবিক ভাতা ও রূপশ্রী
গ্রামীণ আবাসন ও কর্মসংস্থান: বাংলার আবাস যোজনা / PMAY-G এবং ১০০ দিনের কাজের জব কার্ড
কৃষি ও খাদ্য সহায়তা: কৃষকবন্ধু প্রকল্প, বাংলা শস্য বিমা, কিষাণ ক্রেডিট কার্ড ও সার-বীজ অনুমোদন
শিশু ও নারী বিকাশ: আইসিডিএস (ICDS) প্রকল্প, কন্যাশ্রী প্রকল্প ও পোষণ অভিযান তত্ত্বাবধান
অনগ্রসর শ্রেণি ও ছাত্রকল্যাণ: কাস্ট সার্টিফিকেট ব্লক স্তরীয় যাচাই, মেধা বৃত্তি ও স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড
পঞ্চায়েত সমন্বয় ও গ্রামীণ ড্রেনেজ: ১৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতের তহবিল অনুমোদন, অডিট ও গ্রামীণ পরিকাঠামো
ই-ডিস্ট্রিক্ট সরকারি অনুমোদন: গ্রামীণ আয়ের শংসাপত্র (Income Certificate) ও আবাসিক প্রত্যয়ন
গণশুনানি ও নাগরিক অধিকার: দুয়ারে সরকার ক্যাম্প, 'সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী' ও আরটিআই (RTI) নিষ্পত্তি

যাতায়াত ও পৌঁছানোর নির্দেশিকা

বারুইপুর বিডিও অফিসে যাতায়াতের জন্য সড়ক ও রেল উভয় মাধ্যমই অত্যন্ত সুগম: • লোকাল ট্রেনে: শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখা থেকে বারুইপুর জংশন স্টেশনে নেমে ফুলতলা মোড়ের টোটো বা অটোতে মাত্র ১০ মিনিটে বিডিও অফিসে পৌঁছানো যায়। এছাড়া শিয়ালদহ-ক্যানিং শাখার 'পিয়ালী' স্টেশনে নেমেও সহজে পৌঁছানো সম্ভব। • সড়কপথে (কলকাতা থেকে): ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাস ধরে গড়িয়া-কামালগাজি ফ্লাইওভার হয়ে বারুইপুর ফুলতলা মোড়ে পৌঁছানো যায় (দূরত্ব প্রায় ২৫ কিমি)। • বারুইপুর স্থানীয় রুট: বারুইপুর-ক্যানিং রোড ও বারুইপুর-আমতলা রোডের সংযোগস্থল ফুলতলা পার্কের ঠিক উল্টোদিকে বিডিও রোড ধরে কয়েক কদম হাঁটলেই অফিস চত্বর। চত্বরে বাইক ও চারচাকা গাড়ি রাখার সুপরিসর ব্যবস্থা রয়েছে।

ঠিকানা: বিডিও রোড, ফুলতলা, পিয়ালী টাউন (পিয়ালীনতুন), বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ - ৭৪৩৩৮৭

প্রয়োজনীয় প্রশ্নোত্তর (FAQs)

প্র:বারুইপুর বিডিও অফিসের সঠিক অবস্থান ও ঠিকানা কোথায়?

উ:বারুইপুর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের করণ (BDO Office) ও বারুইপুর পঞ্চায়েত সমিতি ভবনটি অবস্থিত ফুলতলা, বিডিও রোড, পিয়ালী টাউন (পিয়ালীনতুন), বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা - ৭৪৩৩৮৭ (ফুলতলা পার্কের বিপরীতে)। উল্লেখ্য, মহকুমা শাসক (SDO) অফিস ও কোর্ট সুবুদ্ধিপুরে (৭০০১৪৪) হলেও বিডিও অফিসটি ফুলতলায় অবস্থিত।

প্র:বারুইপুর ব্লকের অধীনে কয়টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে?

উ:বারুইপুর ব্লকে মোট ১৯টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে। বারুইপুর পূর্ব বিধানসভার অধীনে ৯টি: বেগমপুর, বেলেগাছিয়া, বৃন্দাখালি, চম্পাহাটি, হাড়দহ, নবগ্রাম, রামনগর–১, রামনগর–২, এবং দক্ষিণ গড়িয়া। বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভার অধীনে ১০টি: ধপধপি–১, ধপধপি–২, হরিহরপুর, কল্যাণপুর, মাদারাট, মল্লিকপুর, শঙ্করপুর–১, শঙ্করপুর–২, শিখরবালী–১, এবং শিখরবালী–২।

প্র:বারুইপুর পৌরসভা এবং বিডিও অফিসের মধ্যে পার্থক্য কী?

উ:বারুইপুর পৌরসভা কেবল বারুইপুর শহরের ১৭টি শহুরে ওয়ার্ডের নাগরিক পরিষেবা (পৌর কর, ট্রেড লাইসেন্স, শহরের মিউটেশন ও পুর জল সরবরাহ) প্রদান করে। অপরদিকে, বারুইপুর বিডিও অফিস ব্লকের ১৯টি গ্রামীণ গ্রাম পঞ্চায়েতের যাবতীয় সমাজকল্যাণ প্রকল্প, গ্রামীণ আবাস যোজনা, ১০০ দিনের কাজ এবং পঞ্চায়েত সমিতির কার্যক্রম পরিচালনা করে।

প্র:বিডিও অফিসের অফিসিয়াল পিন কোড এবং যোগাযোগের নম্বর কী?

উ:ভবনের সরকারি নামফলক ও ডাক বিভাগ অনুযায়ী পিন কোড হলো ৭৪৩৩৮৭ (743387)। অফিসিয়াল ল্যান্ডলাইন নম্বর: ০৩৩-২৪৩৩-৮২২১ (বিকল্প: ০৩৩-২৪৩৩-৫৮৯৯)। অফিস সময়: সোম থেকে শুক্র সকাল ১০:০০ টা – বিকাল ৫:৩০ টা।

প্র:বিডিও অফিসে কোন কোন প্রধান সরকারি পরিষেবা পাওয়া যায়?

উ:লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, সামাজিক সুরক্ষা ভাতা (বার্ধক্য, বিধবা, মানবিক ভাতা), প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা (PMAY-G / বাংলার আবাস), ১০০ দিনের কাজের জব কার্ড, ই-ডিস্ট্রিক্টের আয়ের শংসাপত্র (Income Certificate), কাস্ট সার্টিফিকেট যাচাইকরণ, কৃষকবন্ধু ও ফসল বিমা এবং আইসিডিএস প্রকল্প।

প্র:বারুইপুর ব্লকের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কারা?

উ:২০১১ জনগণনা অনুযায়ী ব্লকের জনসংখ্যা ৪,৩৩,১১৯ জন। বিধানসভায় বিধায়ক: বারুইপুর পশ্চিমে শ্রী বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় (পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ) এবং বারুইপুর পূর্বে শ্রী বিভাস সর্দার। লোকসভায় যাদবপুর কেন্দ্রের সাংসদ শ্রীমতি সায়নী ঘোষ।

তথ্যসূত্র ও সহায়ক সূত্র (References & Sources)

[1]
দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন — অফিশিয়াল পোর্টাল ও ডিরেক্টরি
সূত্র: জেলা প্রশাসন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা• প্রকাশকাল: অফিশিয়াল রেকর্ড
[2]
BARUIPUR BLOCK PROJECT — Comprehensive Community Information & Regional Profile
সূত্র: OER Commons (Open Educational Resources) / Firoz Ali Laskar• প্রকাশকাল: একাডেমিক রিসার্চ প্রজেক্ট
[3]
ভারতের জনগণনা ২০১১ — বারুইপুর সিডি ব্লক ডিস্ট্রিক্ট সেন্সাস হ্যান্ডবুক
সূত্র: সেন্সাস অফ ইন্ডিয়া• প্রকাশকাল: ২০১১ ডিরেক্টরি
[4]
পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগ — প্রশাসনিক নির্দেশিকা ও স্কিম
সূত্র: পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগ• প্রকাশকাল: সরকারি পোর্টাল
[5]
Baruipur (community development block) & Baruipur subdivision
সূত্র: উইকিপিডিয়া ও ডিস্ট্রিক্ট স্ট্যাটিস্টিক্যাল হ্যান্ডবুক• প্রকাশকাল: উইকিমিডিয়া আর্কাইভ