শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বারুইপুর অনলাইন - Baruipur Online
বারুইপুর পরিচিতি ও গাইডস্থাপিত: 2018অনুমোদিত দর্শনার্থী ও আইনজীবীদের জন্য আইনানুযায়ী নির্ধারিত

বারুইপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার (বারুইপুর জেল)

Baruipur Central Correctional Home (Baruipur Jail)

আলিপুর ও প্রেসিডেন্সি জেলের ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার বহনকারী পশ্চিমবঙ্গের সর্বাধুনিক ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা সংবলিত কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার

প্রধান বৈশিষ্ট্য ও এক নজরে তথ্য (Key Highlights)

১৪ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন থেকে দূরনিয়ন্ত্রণে এই কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের উদ্বোধন করেন
২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ১১৩ বছরের পুরনো আলিপুর সেন্ট্রাল জেল স্থায়ীভাবে বন্ধ করে বন্দিদের বারুইপুরে স্থানান্তর সম্পন্ন হয়
কলকাতার প্রেসিডেন্সি কারেকশনাল হোম স্থানান্তরের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে (কারা দপ্তর সূত্রে কাজ ৮০% সম্পন্ন, ২০২৫-২৬-এ হস্তান্তরের লক্ষ্য)
মোট নির্মাণ ব্যয় ২০৩.৫৭ কোটি টাকারও বেশি, যার মধ্যে ৪১.২০ কোটি টাকায় আধুনিক কর্মী আবাসন ও ৪.১৩ কোটি টাকায় সুরক্ষা পরিকাঠামো নির্মিত হচ্ছে
আলিপুর জেলের ৬.৫ মিটারের তুলনায় বারুইপুরের সীমানা প্রাচীর ১ মিটার উঁচু (৭.৫ মিটার), সাথে সেন্ট্রাল ওয়াচ টাওয়ার ও আধুনিক ইলেকট্রনিক নজরদারি
ধোপাগাছি চাকবেরিয়া রোডে অবস্থিত প্রায় ১৭ একরের সুউচ্চ মূল সুরক্ষিত ক্যাম্পাস এবং গুগল ম্যাপসে 'Baruipur Central Jail' হিসেবে সহজে শনাক্তযোগ্য

স্থানের সংক্ষিপ্ত পরিচয় ও গুরুত্ব

বারুইপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার (Baruipur Central Correctional Home / Baruipur Jail) দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর ব্লকের ধোপাগাছির চাকবেরিয়া রোডে অবস্থিত পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম প্রধান ও সর্বাধুনিক নিরাপত্তাযুক্ত কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার। কলকাতার ব্রিটিশ আমলের জনবহুল ঐতিহাসিক আলিপুর সেন্ট্রাল জেল এবং ঐতিহ্যবাহী প্রেসিডেন্সি কারেকশনাল হোম থেকে বন্দিদের সরিয়ে এনে আধুনিক পুনর্বাসন ও মানবিক জীবনযাত্রার পরিবেশ প্রদানের সুদূরপ্রসারী সরকারি উদ্যোগের ফলশ্রুতি এই বিশাল সংশোধনাগার কমপ্লেক্স।

২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন থেকে দূরনিয়ন্ত্রণের (Remote Control) মাধ্যমে এই নবনির্মিত সংশোধনাগারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। প্রায় ১৭ একরের সুউচ্চ প্রাচীর ঘেরা মূল সুরক্ষিত ক্যাম্পাস এবং তৎসংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় গড়ে তোলা এই কমপ্লেক্সটিতে ২০৩.৫৭ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে আধুনিক পরিকাঠামো, ডিজিটালি নিয়ন্ত্রিত নিরাপত্তা ও সংস্কারমূলক বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের সুব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

শহরের কোলাহল ও ঘনবসতি থেকে মুক্ত ধোপাগাছির উন্মুক্ত ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে গড়ে ওঠা এই সংশোধনাগারটি বন্দিদের মানসিক রূপান্তর ও সমাজে পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য একটি দৃষ্টান্তমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে।

আলোকচিত্র ও দৃশ্যপট (Photo Gallery)

মোট 2 টি ছবি
বারুইপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার প্রধান প্রবেশদ্বার

বারুইপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার প্রধান প্রবেশদ্বার

Baruipur Central Correctional Home Main Entrance Gate

সংশোধনাগার চত্বর ও প্রাচীর

সংশোধনাগার চত্বর ও প্রাচীর

Correctional Home Campus Perimeter

ভিডিও ট্যুর ও তথ্যচিত্র (Video Tour)

ভিডিও দেখুন

বারুইপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার চত্বর ও পরিকাঠামোর বিশেষ ভিডিও প্রতিবেদনইউটিউবে খুলুন

গুগল ম্যাপে অবস্থান ও ডিরেকশন (Google Maps & GMB)

লাইভ জিপিএস

নিচের ইন্টার‍্যাক্টিভ গুগল ম্যাপের মাধ্যমে সঠিক অবস্থান দেখে নিন অথবা সরাসরি দিকনির্দেশনা ও রিভিউ দেখতে বাটনগুলিতে ক্লিক করুন।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও বিকাশ

বারুইপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের ইতিহাসের মূল শিকড় জড়িয়ে রয়েছে কলকাতার আলিপুর অঞ্চলের শতবর্ষের প্রাচীন দুই কারাগারের সাথে—১৮১০ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রেসিডেন্সি জেল (১৮৬৪ সালে বাংলার প্রথম কেন্দ্রীয় কারাগার) এবং ১৯০৬ সালে নির্মিত আলিপুর সেন্ট্রাল জেল। ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামের বহু অমর বিপ্লবী ও মনীষী, যেমন শ্রী অরবিন্দ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু (১৯৩৪ সালে বন্দি ছিলেন), দীনেশ গুপ্ত এবং কানাইলাল দত্ত আলিপুরের কারাগারে বন্দি ছিলেন।

স্বাধীনতা-উত্তর যুগে ঘনবসতিপূর্ণ দক্ষিণ কলকাতার পরিবেশ রক্ষা, কারাগারের জরাজীর্ণ পরিকাঠামো সংস্কার এবং বন্দিদের জন্য একটি আধুনিক ও উন্মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে বিধানসভায় বারুইপুরে নতুন কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার নির্মাণের ঐতিহাসিক পরিকল্পনা গৃহীত হয়। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ হাউজিং কর্পোরেশনের (WBPHIDCL) তত্ত্বাবধানে ২০১৭-১৮ সালে পুরোদমে নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর উদ্বোধনের দিনই প্রথম ধাপে আলিপুর থেকে ৭০০ বন্দিকে (২০০ জন সাজাপ্রাপ্ত এবং ৫০০ জন বিচারাধীন) কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় বারুইপুরে স্থানান্তরিত করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক আলিপুর সেন্ট্রাল জেল আনুষ্ঠানিকভাবে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়, যা বর্তমানে স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতিতে 'আলিপুর জেল ইন্ডিপেন্ডেন্স মিউজিয়াম' হিসেবে সংরক্ষিত।

বর্তমানে আলিপুরের প্রেসিডেন্সি কারেকশনাল হোমের বন্দিদেরও বারুইপুরের সম্প্রসারিত হাই-সিকিউরিটি জোনে সরিয়ে আনার প্রক্রিয়া দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। ২০২৪ সালের সরকারি ও সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রেসিডেন্সি স্থানান্তরের পরিকাঠামো নির্মাণের কাজ প্রায় ৮০% সম্পন্ন হয়েছে এবং ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের মধ্যে ডিআইজি রেঞ্জ অফিস ও কর্মী আবাসন সহ সমগ্র প্রকল্প সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

প্রধান নাগরিক সুবিধা ও সেবাসমূহ

ই-মুলাকাত (e-Mulakat): কারা দপ্তরের ন্যাশনাল e-Prisons পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে বন্দিদের সাথে সাক্ষাৎ ও ভিডিও কলের স্লট বুকিং
বর্ধিত ভিজিটর সুবিধা: পরিবার ও আইনজীবীদের নির্বিঘ্ন সাক্ষাতের সুবিধার্থে অতিরিক্ত ২৪টি নতুন আধুনিক কাউন্টার
ভার্চুয়াল কোর্ট ট্রায়াল: ভিডিও কনফারেন্সিং সুবিধার মাধ্যমে বিভিন্ন মহকুমা ও জেলা আদালতে ভার্চুয়াল শুনানি ও হাজিরা
বৃত্তিমূলক পুনর্বাসন: আধুনিক বেকারি ইউনিট, তাঁতশিল্প, দর্জি ও সেলাই প্রশিক্ষণ, হস্তশিল্প এবং উন্নত জৈব কৃষিকাজ
স্বাস্থ্য ও মানসিক পরিচর্যা: সার্বক্ষণিক প্রাথমিক চিকিৎসাকেন্দ্র, ইন-হাউস ডিসপেনসারি এবং সরকারি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ
কারা পাঠাগার ও শিক্ষা: বন্দিদের মানসিক রূপান্তর ও সমাজে পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য উন্নত লাইব্রেরি ও সাক্ষরতা কর্মসূচি

যাতায়াত ও পৌঁছানোর নির্দেশিকা

শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখা থেকে ট্রেনে বারুইপুর জংশন স্টেশনে নেমে বারুইপুর-আমতলা রোড ধরে অটো বা বাসে ধোপাগাছি / চাকবেড়িয়া মোড়ে নামলেই সংশোধনাগার কমপ্লেক্স। বারুইপুর স্টেশন থেকে দূরত্ব প্রায় ৫-৬ কিমি, অটো বা টোটোয় সময় লাগে ১৫-২০ মিনিট। গুগল ম্যাপে সরাসরি 'Baruipur Central Jail' সার্চ করে নেভিগেট করা যায়।

ঠিকানা: চাকবেরিয়া রোড, ধোপাগাছি (টংতলা), বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ - ৭০০১৪৫ (নিকটবর্তী ডাক অঞ্চল: ৭০০১৪৪)

প্রয়োজনীয় প্রশ্নোত্তর (FAQs)

প্র:বারুইপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার কবে এবং কীভাবে চালু হয়?

উ:২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন থেকে দূরনিয়ন্ত্রণের (Remote Control) মাধ্যমে বারুইপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। ওই দিনই প্রথম ধাপে আলিপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে ৭০০ বন্দিকে (২০০ জন সাজাপ্রাপ্ত এবং ৫০০ জন বিচারাধীন) কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় এখানে নিয়ে আসা হয়।

প্র:আলিপুর সেন্ট্রাল জেলের সাথে বারুইপুর জেলের সম্পর্ক কী?

উ:কলকাতার ঐতিহাসিক আলিপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে সমস্ত বন্দিদের পর্যায়ক্রমে স্থানান্তর করে ২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি আলিপুর জেলটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেই বন্দিদের স্থায়ী ঠিকানা হয়েছে বারুইপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার। আলিপুরের পুরনো ঐতিহাসিক জেল চত্বরটিকে বর্তমানে 'আলিপুর জেল ইন্ডিপেন্ডেন্স মিউজিয়াম' হিসেবে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

প্র:প্রেসিডেন্সি জেল স্থানান্তরের বর্তমান অবস্থা কী?

উ:আলিপুরে অবস্থিত ব্রিটিশ আমলের প্রেসিডেন্সি কারেকশনাল হোম থেকে প্রায় ২,০০০ বন্দিকে বারুইপুরে স্থানান্তর করার জন্য একটি নতুন হাই-সিকিউরিটি জোন ও সম্প্রসারিত কমপ্লেক্স তৈরি করা হচ্ছে। ২০২৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী পরিকাঠামোর কাজ প্রায় ৮০% সম্পন্ন হয়েছে এবং রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের মধ্যে ডিআইজি রেঞ্জ অফিস ও কর্মী আবাসন সহ সমগ্র প্রকল্প হস্তান্তরের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

প্র:বারুইপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের প্রকৃত ধারণক্ষমতা কত?

উ:২০১৯ সালে আলিপুর জেল বন্ধের সময় কারামন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস জানিয়েছিলেন যে বারুইপুরে ২,২০০ জন সাজাপ্রাপ্ত বন্দির ধারণক্ষমতা কার্যকর রয়েছে। তবে প্রেসিডেন্সি স্থানান্তর সহ সম্পূর্ণ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়িত হলে সমগ্র কমপ্লেক্সের মোট ধারণক্ষমতা ৪,০০০ বন্দিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্র:বারুইপুর জেলের মোট নির্মাণ ব্যয় ও নিরাপত্তা প্রাচীর কেমন?

উ:নবান্ন ও রাজ্য সরকারের তথ্যমতে মোট নির্মাণ ব্যয় ২০৩.৫৭ কোটি টাকারও বেশি। এর সীমানা প্রাচীরের উচ্চতা ৭.৫ মিটার (আলিপুর জেলের ৬.৫ মিটারের চেয়ে ১ মিটার বেশি)। কমপ্লেক্সে সেন্ট্রাল ওয়াচ টাওয়ার, উন্নত সিসিটিভি ক্যামেরা, পিএ সিস্টেম এবং ২৪টি নতুন বর্ধিত সাক্ষাৎকার কাউন্টার রয়েছে।

প্র:পরিবার বা আইনজীবীরা কীভাবে বন্দিদের সাথে সাক্ষাৎ করতে পারেন?

উ:কারা দপ্তরের ন্যাশনাল e-Prisons বা e-Mulakat পোর্টালের (eprisons.nic.in) মাধ্যমে আগে থেকে অনলাইন স্লট বুক করে সরকারি পরিচয়পত্র (আধার/ভোটার কার্ড) নিয়ে সংশোধনাগারের অনুমোদিত কাউন্টারে সাক্ষাৎ করা যায়।

প্র:সংশোধনাগারের অফিসিয়াল পিনকোড ও অবস্থান কী?

উ:টেন্ডার ও সরকারি নথিতে সংশোধনাগারের নিজস্ব পিনকোড তালিকাভুক্ত রয়েছে ৭০০১৪৫ (700145) এবং সংশ্লিষ্ট স্থানীয় ডাক অঞ্চল বারুইপুর ৭০০১৪৪ (700144)। অবস্থান: চাকবেরিয়া রোড, ধোপাগাছি (টংতলা), বারুইপুর।

তথ্যসূত্র ও সহায়ক সূত্র (References & Sources)

[1]
Baruipur: ‘New Central Correctional Home to be completed in 2025-26’
সূত্র: Millennium Post• প্রকাশকাল: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
[3]
113-year-old Alipore Central Jail shuts down, inmates shifted to Baruipur
সূত্র: Business Standard / PTI• প্রকাশকাল: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
[4]
Alipore Jail Independence Museum: History & Transformation
সূত্র: আলিপুর ইন্ডিপেন্ডেন্স মিউজিয়াম• প্রকাশকাল: অফিসিয়াল আর্কাইভ
[5]
পশ্চিমবঙ্গ কারা ও সংশোধনাগার প্রশাসন বিভাগ — অফিশিয়াল পোর্টাল ও নীতি
সূত্র: কারা দপ্তর, পশ্চিমবঙ্গ সরকার• প্রকাশকাল: সরকারি পোর্টাল
[6]
Construction & Infrastructure Tenders for Baruipur Central Correctional Home
সূত্র: পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ হাউজিং কর্পোরেশন (WBPHIDCL)• প্রকাশকাল: ই-টেন্ডার আর্কাইভ