শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বারুইপুর অনলাইন - Baruipur Online
অপরাধ ও প্রশাসনভিডিও প্রতিবেদনব্রেকিং খবর57 বার পঠিত

ব্যাংক ডাকাতির Mastermind ব্যাংক কর্মী

ব্যাংক ডাকাতির Mastermind ব্যাংক কর্মী। সময়টা ১৯ আগস্ট ২০২৫। রাত তখন প্রায় ১০টা ১৫। রানাঘাট পুলিশ জেলার চাকদহ থানায় এসে উপস্থিত হন উত্তর পাঁচপোতা গ্রামের বাসিন্দা এবং IDFC ...

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬•সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খবরটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

বারুইপুরের বন্ধুদের কাছে সত্য খবর পৌঁছে দিন

হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করুন
তথ্য সত্যতা ও যাচাই: সেপ্টেম্বর ২০২৬ (Verified Local Directory)
সর্বশেষ পরিমার্জন: সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিস্তারিত সংবাদ প্রতিবেদন

ব্যাংক ডাকাতির Mastermind ব্যাংক কর্মী। সময়টা ১৯ আগস্ট ২০২৫। রাত তখন প্রায় ১০টা ১৫। রানাঘাট পুলিশ জেলার চাকদহ থানায় এসে উপস্থিত হন উত্তর পাঁচপোতা গ্রামের বাসিন্দা এবং IDFC First Bank-এর (চাকদহ শাখার) গোল্ড লোন বিভাগের SM অভিজিৎ ঘোষ। তিনি একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওইদিন সন্ধ্যা ৬টা ২৩ মিনিটে দুইজন অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ব্যাংকের ভিতরে ঢোকে এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ব্যাংকের কর্মীদের ভয় দেখিয়ে ভল্ট থেকে বিপুল পরিমাণ সোনার গয়না নিয়ে তারা পালিয়ে যায়। অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা রুজু হয়। মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করেন ওই থানার অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর সৌভিক ঘোষ। ঘটনাটি প্রথমে মনে হয়েছিল আর পাঁচটা ব্যাংক ডাকাতির মতোই। কিন্তু তদন্ত শুরু হতেই গল্পটা অন্য মোড় নিতে শুরু করল। ডাকাতির পুরো পরিকল্পনাই ছিল সাজানো। অভিজিৎ ঘোষ তার সহকর্মী বাপ্পা ঘোষের সঙ্গে মিলে ডাকাতির পুরো ছক তৈরি করেছিলো। এরপর তারা রাজ্জাক মণ্ডল, সাহেব মণ্ডল ও মহসিন মণ্ডলকে এই পরিকল্পনায় সামিল করে। প্ল্যান ছিল এমন—যাতে ব্যাংকের ভিতরের কর্মীদের দিকে কোনও সন্দেহের আঙুল না ওঠে। ডাকাতির দিনও অভিজিৎ ও বাপ্পা প্রতিদিনের মতোই ব্যাংকের শাখায় উপস্থিত ছিলো। আর পরিকল্পনা অনুযায়ী মহসিন মোটরসাইকেলে করে রাজ্জাক ও সাহেবকে ব্যাংকের সামনে নামিয়ে দিয়ে যায়। এরপর ঘটে ঠিক সেই ঘটনাই, যার কথা অভিজিৎ ঘোষ থানায় অভিযোগে জানিয়েছিলো। সাব-ইন্সপেক্টর সৌভিক ঘোষ তাঁর তদন্ত শেষ করে পাঁচজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেন। সমস্ত লুট হওয়া সোনার অলংকার, দুটি দেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও জীবন্ত কার্তুজ, ব্যবহৃত পোশাক, দুটি ব্যাগসহ বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। জমা পড়ে চার্জশিট। বিচার শেষ হয়েছে সম্প্রতি। মহামান্য আদালত অভিযুক্ত অভিজিৎ ঘোষ, বাপ্পা ঘোষ, রাজ্জাক মণ্ডল, মহসিন মণ্ডল এবং সাহেব মণ্ডল এদের প্রত্যেককে দোষী সাব্যস্ত করে ২৫,০০০/- টাকা জরিমানাসহ দীর্ঘ ১০ বছরের কারাবাসে দণ্ডিত করেছেন। Ranaghat Police District - Kalyani। নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন: ১০ বছর কারাবাসের সাজা ঘোষণা। ২০২৫ সালের মে মাসে, বছর ষোলোর এক নাবালিকাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে একাধিকবার যৌন নির্যাতন করে সাহিল তামাং নামের এক যুবক। কিছুদিন পর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় নাবালিকাকে ভর্তি করা হয় দার্জিলিং সদর হাসপাতালে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দার্জিলিং সদর (মহিলা) থানার পুলিশ এবং শুরু হয় তদন্ত। তদন্তের দায়ভার গ্রহণ করেন ওই থানার সাব-ইন্সপেক্টর নম্রতা তামাং। অভিযুক্ত সাহিল তামাংকে দ্রুত গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। মহামান্য আদালত অভিযুক্তকে ১০,০০০/- টাকা জরিমানাসহ দীর্ঘ ১০ বছরের কারাবাসে দণ্ডিত করেছেন। Darjeeling Police। নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনে ১০ বছরের কারাদণ্ড। বীরভূমের দুবরাজপুরে এক কিশোরীকে ভুল বুঝিয়ে নিয়ে চলে যায় বাসুদেব ডোম। কিশোরীকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয় না এবং সঙ্গে চলতে থাকে যৌন নির্যাতন। কিশোরীর বাবার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দুবরাজপুর থানায় মামলা রুজু হয়। তদন্তকারী অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর রাকেশ তামাং তদন্তে নেমে কিশোরীকে উদ্ধার ও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেন। দ্রুত চার্জশীট দাখিল করে নিরলস ভাবে মামলার তদারকি করেন। মহামান্য আদালত দোষীকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০,০০০/- টাকা আর্থিক জরিমানা ধার্য করেছেন। Birbhum District Police। অস্ত্র নিয়ে তোলাবাজি ও হুমকির অভিযোগে বারুইপুরে গ্রেপ্তার দুষ্কৃতী,উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র ও তাজা কার্তুজ.। ১৩ বছরের নাবালিকাকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে, পকসো মামলা রুজু হয়েছে বারুইপুর থানায়। তদন্ত হওয়া দরকার।

ঘটনার প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপট ও স্থানীয় বিবরণ

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার আইনশৃঙ্খলা ও নাগরিক সুরক্ষায় বারুইপুর পুলিশ জেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বারুইপুর মহকুমা আদালত, থানা এবং বিশেষ গোয়েন্দা শাখা (DIB) অপরাধ দমন ও দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়ায় তৎপর। মহকুমার বিস্তীর্ণ গ্রামীণ ও শহরতলি এলাকায় টহলদারি জোরদার করার পাশাপাশি যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত নাকা চেকিং ও সিসিটিভি নজরদারি চালানো হয়।

নাগরিক সচেতনতা ও সাধারণ জনজীবনের প্রভাব

এই ধরনের স্থানীয় খবরাখবর ও ঘটনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার সাধারণ বাসিন্দা ও নিত্যযাত্রীদের সতর্কতা এবং প্রশাসনের সাথে সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে বিভ্রান্তিকর তথ্য এড়িয়ে সঠিক ও যাচাইকৃত তথ্যের ওপর নির্ভর করাই কাম্য। বারুইপুর অনলাইন স্থানীয় নাগরিকদের সুবিধার জন্য সরাসরি গ্রাউন্ড রিপোর্ট ও সরকারি নির্দেশিকা নিয়মিত প্রকাশ করে থাকে।

জরুরি প্রশাসনিক হেল্পলাইন ও যোগাযোগ

  • জরুরি পুলিশ সহায়তা: ১১২ / ১০০ | বারুইপুর পুলিশ জেলা কন্ট্রোল রুম: ০৩৩-২৪৩৩-০৪০০ | বারুইপুর থানা: ০৩৩-২৪৩৩-৮২২২ / ০৩৩-২৪৩৩-৮২২৩

সম্পাদকীয় স্বচ্ছতা ও ফ্যাক্ট-চেক নীতি: বারুইপুর অনলাইন বার্তা ডেস্কের নিজস্ব অনুসন্ধানী ও বিশ্বস্ত স্থানীয় সংবাদ সূত্রের মাধ্যমে এই প্রতিবেদনটি সংকলিত ও পরিমার্জিত করা হয়েছে। জনস্বার্থে প্রচারিত এই তথ্যে কোনো সংশোধন থাকলে আমাদের সাথে নির্দ্বিধায় যোগাযোগ করুন।

অনিমেষ মুখার্জী

অনিমেষ মুখার্জী(Animesh Mukherjee)

সিনিয়র ক্রাইম ও জেলা প্রশাসন প্রতিনিধি • আইনশৃঙ্খলা, আদালত ও পুলিশ প্রশাসন

সাংবাদিক প্রোফাইল ও সব খবর →

বারুইপুর পুলিশ জেলা, মহকুমা আদালত ও সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা ও বিচার ব্যবস্থা সংক্রান্ত নিয়মিত গ্রাউন্ড রিপোর্টার।

📍 কর্মক্ষেত্র: বারুইপুর আদালত চত্বর•✉️ ইমেল: [email protected]
তথ্যসূত্র ও সাংবাদিকতা নীতিমালা (Editorial Verification & Sourcing)সরকারি বিজ্ঞপ্তি ভিত্তিক
প্রতিবেদক: অনিমেষ মুখার্জী (সিনিয়র ক্রাইম ও জেলা প্রশাসন প্রতিনিধি)
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তদন্ত ও সম্পাদনা: বারুইপুর সেন্ট্রাল নিউজডেস্ক
জনস্বার্থ বিজ্ঞপ্তি / সামাজিক মাধ্যম রেফারেন্স:मूल নোটিশ ও সূত্র দেখুন