শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বারুইপুর অনলাইন - Baruipur Online
অপরাধ ও প্রশাসনব্রেকিং খবর51 বার পঠিত

মর্মান্তিক খুনের দায়ে অপরাধীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মর্মান্তিক খুনের দায়ে অপরাধীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হুগলি গ্রামীণ জেলা পুলিশের অন্তর্গত পাণ্ডুয়া থানার ঘটনা। রামেশ্বরপুর এলাকার মঙ্গলা রায় তাঁর ছেলেকে নিয়ে একাই থাকতেন। ধীরে...

বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬•বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মর্মান্তিক খুনের দায়ে অপরাধীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

খবরটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

বারুইপুরের বন্ধুদের কাছে সত্য খবর পৌঁছে দিন

হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করুন
তথ্য সত্যতা ও যাচাই: সেপ্টেম্বর ২০২৬ (Verified Local Directory)
সর্বশেষ পরিমার্জন: সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিস্তারিত সংবাদ প্রতিবেদন

মর্মান্তিক খুনের দায়ে অপরাধীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

হুগলি গ্রামীণ জেলা পুলিশের অন্তর্গত পাণ্ডুয়া থানার ঘটনা। রামেশ্বরপুর এলাকার মঙ্গলা রায় তাঁর ছেলেকে নিয়ে একাই থাকতেন। ধীরে ধীরে মঙ্গলাদেবীর পরিচয় হয় শেখ মহিবুল ইসলামের সঙ্গে। দিন যায়, সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়। এভাবে বেশ কিছুদিন যাওয়ার পর শুরু হয় বাদানুবাদ। এরপর থেকে মঙ্গলাদেবীর সঙ্গে প্রায়ই কথা কাটাকাটি ও বচসা লেগেই থাকত মহিবুল ইসলামের।

২২ এপ্রিল, ২০২৩। রাত তখন প্রায় ৮টা ৩০ মিনিট। মহিবুল মঙ্গলাদেবীর বাড়িতে আসে এবং শুরু হয় গালিগালাজ ও বচসা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে মহিবুল একটি ইঁট নিয়ে মঙ্গলা দেবীর মুখে ও মাথায় বারবার আঘাত করতে থাকে। মঙ্গলাদেবী নিস্তেজ হয়ে পড়লে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায় মহিবুল।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় মঙ্গলাদেবীকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে সেখান থেকে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। পরদিন সকালে মৃত্যু হয় মঙ্গলা দেবীর।

২৩ এপ্রিল মৃতা মঙ্গলাদেবীর পরিবার পাণ্ডুয়া থানায় মামলা রুজু করেন। মামলার তৎকালীন তদন্তকারী অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর রাকেশ দাস পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে সমস্ত তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ করে আদালতে নিখুঁত চার্জশীট জমা করেন।

সম্প্রতি এই নৃশংস হত্যার বিচার শেষে প্রকাশিত রায়ে মহামান্য আদালত অভিযুক্ত শেখ মহিবুল ইসলামকে দোষী সাব্যস্ত করে ২০,০০০ টাকা জরিমানাসহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।

Hooghly Rural Police

ঘটনার প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপট ও স্থানীয় বিবরণ

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার আইনশৃঙ্খলা ও নাগরিক সুরক্ষায় বারুইপুর পুলিশ জেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বারুইপুর মহকুমা আদালত, থানা এবং বিশেষ গোয়েন্দা শাখা (DIB) অপরাধ দমন ও দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়ায় তৎপর। মহকুমার বিস্তীর্ণ গ্রামীণ ও শহরতলি এলাকায় টহলদারি জোরদার করার পাশাপাশি যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত নাকা চেকিং ও সিসিটিভি নজরদারি চালানো হয়।

নাগরিক সচেতনতা ও সাধারণ জনজীবনের প্রভাব

এই ধরনের স্থানীয় খবরাখবর ও ঘটনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার সাধারণ বাসিন্দা ও নিত্যযাত্রীদের সতর্কতা এবং প্রশাসনের সাথে সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে বিভ্রান্তিকর তথ্য এড়িয়ে সঠিক ও যাচাইকৃত তথ্যের ওপর নির্ভর করাই কাম্য। বারুইপুর অনলাইন স্থানীয় নাগরিকদের সুবিধার জন্য সরাসরি গ্রাউন্ড রিপোর্ট ও সরকারি নির্দেশিকা নিয়মিত প্রকাশ করে থাকে।

জরুরি প্রশাসনিক হেল্পলাইন ও যোগাযোগ

  • জরুরি পুলিশ সহায়তা: ১১২ / ১০০ | বারুইপুর পুলিশ জেলা কন্ট্রোল রুম: ০৩৩-২৪৩৩-০৪০০ | বারুইপুর থানা: ০৩৩-২৪৩৩-৮২২২ / ০৩৩-২৪৩৩-৮২২৩

সম্পাদকীয় স্বচ্ছতা ও ফ্যাক্ট-চেক নীতি: বারুইপুর অনলাইন বার্তা ডেস্কের নিজস্ব অনুসন্ধানী ও বিশ্বস্ত স্থানীয় সংবাদ সূত্রের মাধ্যমে এই প্রতিবেদনটি সংকলিত ও পরিমার্জিত করা হয়েছে। জনস্বার্থে প্রচারিত এই তথ্যে কোনো সংশোধন থাকলে আমাদের সাথে নির্দ্বিধায় যোগাযোগ করুন।

অনিমেষ মুখার্জী

অনিমেষ মুখার্জী(Animesh Mukherjee)

সিনিয়র ক্রাইম ও জেলা প্রশাসন প্রতিনিধি • আইনশৃঙ্খলা, আদালত ও পুলিশ প্রশাসন

সাংবাদিক প্রোফাইল ও সব খবর →

বারুইপুর পুলিশ জেলা, মহকুমা আদালত ও সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা ও বিচার ব্যবস্থা সংক্রান্ত নিয়মিত গ্রাউন্ড রিপোর্টার।

📍 কর্মক্ষেত্র: বারুইপুর আদালত চত্বর•✉️ ইমেল: [email protected]
তথ্যসূত্র ও সাংবাদিকতা নীতিমালা (Editorial Verification & Sourcing)সরকারি বিজ্ঞপ্তি ভিত্তিক
প্রতিবেদক: অনিমেষ মুখার্জী (সিনিয়র ক্রাইম ও জেলা প্রশাসন প্রতিনিধি)
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তদন্ত ও সম্পাদনা: বারুইপুর সেন্ট্রাল নিউজডেস্ক
জনস্বার্থ বিজ্ঞপ্তি / সামাজিক মাধ্যম রেফারেন্স:मूल নোটিশ ও সূত্র দেখুন