শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
উৎসব ও সংস্কৃতিভিডিও প্রতিবেদন
২ মিনিট পড়া (২৮২ শব্দ)

বারুইপুর রাসমাঠে জমজমাট বিজয়া সম্মিলনী ও সংগীত সন্ধ্যা: মঞ্চ মাতালেন গায়িকা জোজো ও অভিনেতা বিশ্বনাথ বসু

বারুইপুরের ঐতিহাসিক রাসমাঠের মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য বিজয়া সম্মিলনী ও মেগা সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জোজো মুখার্জি এবং বিশিষ্ট অভিনেতা বিশ্বনাথ বসুর উপস্থিতি ও পরিবেশনায় মেতে উঠলেন হাজার হাজার দর্শক।

শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬•৯ ঘণ্টা আগে

খবরটি অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন

বারুইপুরের সত্য ও যাচাইকৃত খবর বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে দিন

WhatsAppFacebookTwitter

বারুইপুরের ঐতিহাসিক রাসমাঠের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এ মরসুমের অন্যতম জমকালো বিজয়া সম্মিলনী ও মেগা সাংস্কৃতিক সংগীত সন্ধ্যা। স্থানীয় নাগরিক ও সাংস্কৃতিক প্রেমীদের বিপুল উপস্থিতিতে সমগ্র রাসমাঠ উৎসবমুখর পরিবেশ ধারণ করে। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করে দর্শকাসনে ঝড় তোলেন বাংলার প্রখ্যাত ও শক্তিমান কণ্ঠশিল্পী জোজো মুখার্জি। বিশিষ্ট অভিনেতা বিশ্বনাথ বসু ও পূজিতা ব্যানার্জীর প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে পুরো অনুষ্ঠানটি অবিস্মরণীয় রূপ নেয়।

গায়িকা জোজোর লাইভ পারফরম্যান্স ও সুরের মূর্ছনা

সন্ধ্যা নামতেই রাসমাঠের মূল মঞ্চে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গায়িকা জোজো মুখার্জি তাঁর একের পর এক জনপ্রিয় বাংলা ও হিন্দি হিট গান পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। আধুনিক সুরের পাশাপাশি লোকসংগীত ও মেলোডি গানের তালে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী ও বয়স্ক দর্শনার্থীরা একসাথে মেতে ওঠেন। জোজোর সুরেলা কণ্ঠ ও মঞ্চে সাবলীল উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।

অভিনেতা বিশ্বনাথ বসুর উপস্থিতি ও আন্তরিক আলাপচারিতা

অনুষ্ঠানের অন্যতম মূল আকর্ষণ ছিলেন বিশিষ্ট অভিনেতা বিশ্বনাথ বসু। বারুইপুরের দর্শকদের সাথে তিনি আন্তরিক স্মৃতিচারণায় মেতে ওঠেন। বারুইপুরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, খাদ্যসংস্কৃতি ও এখানকার মানুষের আন্তরিক আতিথেয়তার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। মঞ্চে তাঁর স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থাপনা ও কৌতুকপূর্ণ সংলাপে দর্শকেরা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন।

ঐতিহ্যের রাসমাঠ ও নিরাপত্তা পরিকাঠামো

বারুইপুরের রাসমাঠের সাথে জড়িয়ে রয়েছে শতাব্দীপ্রাচীন রাস উৎসব ও সাহিত্য-সংস্কৃতির সমৃদ্ধ ইতিহাস। আসন্ন রাস উৎসব ২০২৬-এর আগে এমন একটি সর্বজনীন বিজয়া সম্মিলনী এলাকার সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতিকে আরও দৃঢ় করেছে। বিপুল জনসমাগমের কথা মাথায় রেখে বারুইপুর থানার পুলিশ কর্মী ও আয়োজক কমিটির কয়েকশো স্বেচ্ছাসেবক কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলেন।

দর্শক ও নাগরিক প্রতিক্রিয়া

অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকরা জানান, বারুইপুরের বুকে এত বড় মাপের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নাগরিকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করেছে। পরিবারের সকলকে নিয়ে সুস্থ বিনোদন ও সংগীত উপভোগ করার এমন সুযোগ উৎসবের আমেজকে আরও মধুর করে তুলেছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী দিনগুলিতেও রাসমাঠকে কেন্দ্র করে এ ধরনের উচ্চমানের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।

খবরটি অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন

বারুইপুরের সত্য ও যাচাইকৃত খবর বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে দিন

WhatsAppFacebookTwitter
মৌসুমী সেনগুপ্ত

মৌসুমী সেনগুপ্ত(Mousumi Sengupta)

সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও শিক্ষা প্রতিনিধি • ঐতিহ্য, রাসমেলা, শিক্ষা ও সমাজসেবা

সাংবাদিক প্রোফাইল ও সব খবর →

বারুইপুরের ঐতিহাসিক রাসমেলা, রাজবাড়ি, প্রাচীন লোকউৎসব, বিদ্যালয় ও স্থানীয় সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের বিশেষ নিবন্ধকার।

📍 কর্মক্ষেত্র: বারুইপুর রাসমাঠ•✉️ ইমেল: [email protected]
তথ্যসূত্র ও সাংবাদিকতা নীতিমালা (Editorial Verification & Sourcing)ফিল্ড ভেরিফায়েড প্রতিবেদন
প্রতিবেদক: মৌসুমী সেনগুপ্ত (সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও শিক্ষা প্রতিনিধি)
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
তদন্ত ও সম্পাদনা: বারুইপুর সেন্ট্রাল নিউজডেস্ক
জনস্বার্থ বিজ্ঞপ্তি / সামাজিক মাধ্যম রেফারেন্স:মূল নোটিশ ও সূত্র দেখুন

বারুইপুরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নির্দেশিকা